রান্নাঘরে চটজলদি রান্নার জন্য নন-স্টিক প্যানের জুড়ি মেলা ভার। সকালে অফিসের তাড়া বা কম তেলে স্বাস্থ্যকর ব্রেকফাস্ট—অনেকেরই প্রথম পছন্দ এই কালো আস্তরণযুক্ত বাসন বা ফ্রাইপ্যান। এতে দ্রুত কম তেলে রান্না হয়ে যায়। কিন্তু ইদানীং নন-স্টিক প্যানের সুরক্ষা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা বিতর্ক চোখে পড়ে। আপনার প্যানটি কি সত্যিই আপনার শরীরের ক্ষতি করছে? ফ্রাইপ্যান কতটা নিরাপদ জানা দরকার।
নন-স্টিক প্যানের মূল উপাদান হলো টেফলন, যার পোশাকি নাম পলিটেট্রাফ্লুরো-ইথিলিন (PTFE)। এই পদার্থটি রান্নার তেল বা মশলাকে বাসনের গায়ে আটকে যেতে দেয় না। ভয়টা মূলত দুটি কারণে:
১. উচ্চ তাপমাত্রায় বিষাক্ত ধোঁয়া নির্গত হয়। যেটা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়।
২. আর প্যান স্ক্র্যাচ হয়ে গেলে সেই আস্তরণ পেটে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। দীর্ঘদিন এটা হতে থাকলে তা মোটেই শরীরের জন্য ভাল নয়।
যে যে কারণে বিপদ বাড়ে
১. তাপমাত্রা কি আসল ভিলেন?
বিশেষজ্ঞদের মতে, টেফলন তখনই বিষাক্ত ধোঁয়া ছাড়ে যখন এর তাপমাত্রা ২৬০° সেলসিয়াসে (৫০০° ফারেনহাইট) উপরে চলে যায়। কিন্তু সাধারণ ঘরোয়া রান্নায় এই তাপমাত্রা পৌঁছানো বেশ কঠিন। রান্নার তেল ধোঁয়া ছাড়ার অনেক আগেই আমরা আঁচ কমিয়ে দিই। তাই স্বাভাবিক তাপে রান্না করলে ভয়ের কিছু নেই। তবে যদি কেউ খুব উচ্চ আঁচে দীর্ঘসময় ধরে রান্না করেন তা হলে বিষাক্ত উপাদান ধোঁয়া দিয়ে রক্তের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। যা ফুসফুসের ক্ষতি করে। দীর্ঘ ব্যবহারে হতে পারে ক্যানসারও।
২. আস্তরণ উঠে গেলে কী হবে?
অনেকের ভয়, প্যান থেকে কালো কুচি খাবারে মিশলে ক্যান্সার হতে পারে। কিন্তু টেফলন একটি নিষ্ক্রিয় (Inert) পদার্থ। অর্থাৎ এটি আপনার শরীরের রক্তের সাথে মিশবে না বা হজম হবে না। ভুলে পেটে চলে গেলেও তা শরীরের ভিতর দিয়ে বেরিয়ে যাবে। তবে সাবধানতার খাতিরে স্ক্র্যাচ পড়া প্যান বদলে ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ বেশিদিন এগুলো শরীরে গেলে ক্ষতি তো হবেই।
৩. PFOA-র আতঙ্ক
আগে টেফলন তৈরিতে PFOA নামক একটি রাসায়নিক ব্যবহার করা হতো যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর ছিল। তবে বর্তমানে বেশিরভাগ নামী ব্র্যান্ড এটি বাদ দিয়েছে। তাই প্যান কেনার সময় 'PFOA-Free' লেখা দেখে নেওয়া জরুরি।
যে যে সাবধানতা মানলে ভাল
কাঠের খুন্তি: স্টিলের খুন্তি একদম নয়, ব্যবহার করুন কাঠ বা সিলিকনের চামচ।
হালকা ধোওয়া: শক্ত তারের জালি দিয়ে ঘষবেন না, স্পঞ্জ ব্যবহার করুন।
খালি প্যান গরম নয়: গ্যাসে খালি প্যান বসিয়ে রাখবেন না, এতে তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। বিষাক্ত রাসায়নিক, ধোঁয়া নির্গত হয়। যা মারাত্মক ক্ষতিকর।
বিকল্প ভাবুন: ঢালাই লোহা বা স্টেইনলেস স্টিলের বাসন ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ। এগুলো দীর্ঘস্থায়ী এবং অনেক বেশি নিরাপদ।
আপনি যদি অলরেডি নন-স্টিক প্যান ব্যবহার করেন, তবে তা খুব বুঝে ব্যবহার করুন। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে কালো রং উঠে গেলে বিপদ। ঠিকঠাক যত্ন নিলে, ভাল মানের ননস্টিকের কড়া বা ফ্রাইপ্যান ব্যবহার করলে সেটা তেমন বিপজ্জনক নয়। তাই খুব সস্তার প্যান না কিনে একটু ভালো মানের ব্র্যান্ড বেছে নিন।
নন-স্টিক প্যানের মূল উপাদান হলো টেফলন, যার পোশাকি নাম পলিটেট্রাফ্লুরো-ইথিলিন (PTFE)। এই পদার্থটি রান্নার তেল বা মশলাকে বাসনের গায়ে আটকে যেতে দেয় না। ভয়টা মূলত দুটি কারণে:
১. উচ্চ তাপমাত্রায় বিষাক্ত ধোঁয়া নির্গত হয়। যেটা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়।
২. আর প্যান স্ক্র্যাচ হয়ে গেলে সেই আস্তরণ পেটে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। দীর্ঘদিন এটা হতে থাকলে তা মোটেই শরীরের জন্য ভাল নয়।
যে যে কারণে বিপদ বাড়ে
১. তাপমাত্রা কি আসল ভিলেন?
বিশেষজ্ঞদের মতে, টেফলন তখনই বিষাক্ত ধোঁয়া ছাড়ে যখন এর তাপমাত্রা ২৬০° সেলসিয়াসে (৫০০° ফারেনহাইট) উপরে চলে যায়। কিন্তু সাধারণ ঘরোয়া রান্নায় এই তাপমাত্রা পৌঁছানো বেশ কঠিন। রান্নার তেল ধোঁয়া ছাড়ার অনেক আগেই আমরা আঁচ কমিয়ে দিই। তাই স্বাভাবিক তাপে রান্না করলে ভয়ের কিছু নেই। তবে যদি কেউ খুব উচ্চ আঁচে দীর্ঘসময় ধরে রান্না করেন তা হলে বিষাক্ত উপাদান ধোঁয়া দিয়ে রক্তের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। যা ফুসফুসের ক্ষতি করে। দীর্ঘ ব্যবহারে হতে পারে ক্যানসারও।
২. আস্তরণ উঠে গেলে কী হবে?
অনেকের ভয়, প্যান থেকে কালো কুচি খাবারে মিশলে ক্যান্সার হতে পারে। কিন্তু টেফলন একটি নিষ্ক্রিয় (Inert) পদার্থ। অর্থাৎ এটি আপনার শরীরের রক্তের সাথে মিশবে না বা হজম হবে না। ভুলে পেটে চলে গেলেও তা শরীরের ভিতর দিয়ে বেরিয়ে যাবে। তবে সাবধানতার খাতিরে স্ক্র্যাচ পড়া প্যান বদলে ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ বেশিদিন এগুলো শরীরে গেলে ক্ষতি তো হবেই।
৩. PFOA-র আতঙ্ক
আগে টেফলন তৈরিতে PFOA নামক একটি রাসায়নিক ব্যবহার করা হতো যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর ছিল। তবে বর্তমানে বেশিরভাগ নামী ব্র্যান্ড এটি বাদ দিয়েছে। তাই প্যান কেনার সময় 'PFOA-Free' লেখা দেখে নেওয়া জরুরি।
যে যে সাবধানতা মানলে ভাল
কাঠের খুন্তি: স্টিলের খুন্তি একদম নয়, ব্যবহার করুন কাঠ বা সিলিকনের চামচ।
হালকা ধোওয়া: শক্ত তারের জালি দিয়ে ঘষবেন না, স্পঞ্জ ব্যবহার করুন।
খালি প্যান গরম নয়: গ্যাসে খালি প্যান বসিয়ে রাখবেন না, এতে তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। বিষাক্ত রাসায়নিক, ধোঁয়া নির্গত হয়। যা মারাত্মক ক্ষতিকর।
বিকল্প ভাবুন: ঢালাই লোহা বা স্টেইনলেস স্টিলের বাসন ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ। এগুলো দীর্ঘস্থায়ী এবং অনেক বেশি নিরাপদ।
আপনি যদি অলরেডি নন-স্টিক প্যান ব্যবহার করেন, তবে তা খুব বুঝে ব্যবহার করুন। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে কালো রং উঠে গেলে বিপদ। ঠিকঠাক যত্ন নিলে, ভাল মানের ননস্টিকের কড়া বা ফ্রাইপ্যান ব্যবহার করলে সেটা তেমন বিপজ্জনক নয়। তাই খুব সস্তার প্যান না কিনে একটু ভালো মানের ব্র্যান্ড বেছে নিন।
ফারহানা জেরিন